The news is by your side.

উপজেলা নির্বাচনের বিদ্রোহীদের চিঠি ৮ই সেপ্টেম্বর: কাদের

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

ডেস্ক নিউজ: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, বিগত উপজেলা নির্বাচনে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গকারী বিদ্রোহী ও তাদের মদদদাতাদের বিরুদ্ধে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে চিঠি পাঠানো শুরু হবে।

গত মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর, সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ  সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাসিম, বিএম মোজাম্মেল, একেএম এনামুল হক শামীম, মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ,  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলীসহ সম্পাদক মণ্ডলীর অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের কিছু সিদ্ধান্ত আছে, শোকের মাসে যা বাস্তবায়ন স্থগিত রাখি, এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল-আমাদের কার্যনির্বাহী কমিটির মিটিংয়ের উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী ও তাদের মদদদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, আমরা সিদ্ধান্ত তো নিয়েই রেখেছি, এর বাস্তবায়নের কার্যক্রম ৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে।

ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, ৮ তারিখের আগে আমরা বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে আলোচনা করব, কোনো ভুল হচ্ছে কিনা, কেউ বাদ পড়ছে কিনা? বা নতুন কোনো সংযোজনের প্রয়োজন আছে কিনা? এই বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে, যাতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থাটা নিখুঁত হয়, সে জন্যই আমরা বিষয়গুলো ভালোভাবে খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তবে ৮ তারিখ থেকে আমরা চিঠি দেয়া শুরু করব।

আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের পরবর্তী কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের দলের প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এই বিষয়ে আমার আলোচনা হয়েছে,কিন্তু সময়টা এখন নির্দিষ্ট করে বলতে পারছি না, সেদিন আমরা আমাদের পরবর্তী সাংগঠনিক করণীয় বিস্তারিত আলোচনা করব, কার্যনির্বাহী কমিটির মিটিংয়ের পরে আমরা আবার সারা দেশে আমাদের সাংগঠনিক সফর শুরু করব।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তখন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের নেত্রী (শেখ হাসিনা) সাধারণ ক্ষমা করেছিলেন। সে কারণে এই বিষয়গুলো বাদ দেয়া হয়েছিল, কিন্তু পরবর্তীত সময়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি,`ডিসিপ্লিন ব্রেক’ করলে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে এই প্রবণতা বাড়ে, সে কারণে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কেউ`ডিসিপ্লিন ব্রেক’করলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহীদের মদদ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে- তাদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ কী ভাবছে? এমন প্রশ্নের জবাবে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, কে কী করেছে, এটা তো বিচ্ছিন্নভাবে ব্যবস্থা নেয়া যাবে না, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, তাদের শোকজ করা হবে, সেখানে তারা তো অভিযোগের জবাব দেবে।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শোকজের জবাবগুলো আগে আমাদের হাতে আসুক, তারপর কে কী অপরাধ করেছে তা দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.