The news is by your side.

একজন মহিউদ্দিন,ভাললাগা, ভালোবাসার নেতা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

চেতনায় ডেক্সঃ  একজন মহি¦উদ্দিন, ভাললাগা ও ভালোবাসা নেতা। সঙ্গঁত কারনেই মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, কে এই মহিউদ্দিন? কি আছে কার মধ্যে যাদু, কেন তাকে লাগ লাগবে, মানুষ ভালবাসবে? এক কথায় বলতে হয় তার মুখে সদা মিষ্টি  হাসি, কথা-বার্তা, আচার আচরণ আর অমায়িক ব্যবহার তাকে করছে অন্য সকলের চেয়ে আলাদা। কে বড়? কে ছোট? সেটা বড় কথা নয় সকলে আমরা মানুষ, মানুষ মানুষের জন, যার মধ্যে মনুষ্যবোধ আছে সেই সেরা মানুষ। একজন তৃণমুল কর্মি আর একজন জেলা পর্যায়ের উঁচু মাত্রার নেতা সকলে তার কাছে সমান, সকলে যে অন্তরে বঙ্গঁবন্ধুকে ধারণ করে আছে। সকলকে বুকে জড়িয়ে নেন। যার মাঝে বঙ্গবন্ধুর গন্ধ খুঁজে পান, তার কপালে এঁকে দেন স্নেহের পরশ। একজন খেঁটে খাওয়া দিনমজুর অন্যজন উঁচু তলার ধর্ণাঢ্য ব্যাক্তি তার কাছে কোন শ্রেণী বৈষম্য নেই, সকলকে সমভাবে তার জেলা পরিষদ কার্যালয়ে তার পাশে বসতে দেন, আগন্তকের সকল কথা মনযোগ সহকারে শুনেন এবং সঠিক পরামর্শ দেন, সকলের জন্য লাল চা আর বিস্কেট সমভাবে পরিবেশন করা হয়। এটা তার আচরণ, তিনি মনে করেন সকলের সমঅধিকার ভোটাধিকার এক, সমমর্যাদার। তিনি খাঁটি ষোল আনা বাঙালী প্রিয় খাবার, আলু ভর্তা, ডিম ভাজা আর রসুনের ভাগার দেওয়া মশুরের ডাল।

গুরুর শিক্ষা- নিও দিক্ষা, মানুষকে ভালোবাস, মানুষের মাঝেই সৃষ্টিকর্তা বিদ্যমান, জাতির পিতা বঙ্গঁবন্ধুর পাশে থেকে কাছে থেকে যে শিক্ষা তিনি পেয়েছেন। বঙ্গঁবন্ধুর যে দিক্ষায় তিনি নিজেকে পরিচালিত করছেন, শতভাগ অন্তরে ধারণ করে আমৃত্যু নিজেকে পরিচালিত করাই তার চিন্তা চেতনা।

এখন হয়তো আপনারা বলবেন- কে, সে?

তিনি জীবনের আঁশিটি বসন্ত অতিবাহিত করা আমাদের প্রিয় নেতা আলহাজ্ব মোঃ মহিউদ্দিন, রাজনৈতিক অঙ্গঁনে যার পরিচিতি বঙ্গবন্ধুর মহিউদ্দিন আবার কেহ কেহ বলে থাকেন মুন্সীগঞ্জের মহিউদ্দিন।

আলহাজ্ব মোঃ মহিউদ্দিন মুন্সীগঞ্জ জেলা শহরের কোটগাঁও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে দায়িত্বরত, জেলা পরিষদ এর নির্বাচিত চেয়ারম্যা, তারপর ও যে পরিচয়ে মোঃ মহিউদ্দিন গর্ববোধ করেন তিনি ছিলেন বাঙালী জাতির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান, স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গঁবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানএর নিরাপত্তা অফিসার, সুখে দুঃখে, দুর্দিন আর সুসময় যিনি বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গঁবন্ধু শেখ মুজিব যাকে অফিসিয়ালি চীফ সিকিউরিটি অফিসার পদে নিয়োগ দেন।

বঙ্গবন্ধু যতদিন বেঁচে ছিলেন মোঃ মহিউদ্দিন সততা-নিষ্ঠা আর কর্তব্যবোধে দায়িত্ব পালন করেছেন। কারণ একটাই বঙ্গবন্ধু অন্যান্য সাধারণ মানুষের মতো তাকেও ভালোবাসতেন আদর করে পাশে বসিয়ে বঙ্গবন্ধু গ্লাসের অর্ধেক দুধ পান করে বাকি অর্ধেক মোঃ মহিউদ্দিনকে খেতে দিতেন। যাই হোক মহিউদ্দিন সবসময় বলে থাকেন বঙ্গবন্ধুর মতো মহান নেতার সেবা করতে পেরে আমার জীবন ধন্য। আমি কোন পদ-পদবী চাই না। আজীবন বঙ্গবন্ধুর একজন সেবক হিসাবে বেঁচে থাকতে চেয়েছিলাম। আমি মনে করি এই আবেক এই অনুভূতি মোঃ মহিউদ্দিনকে ভালোবাসার মানুষের পরিণত করেছে। মোঃ মহিউদ্দিন প্রায় ৮টি বছর বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকে বঙ্গবন্ধুকে উপলব্দি করতে চেয়েছিল। বঙ্গঁবন্ধু এক বিশাল হৃদয়ের মানুষ ছিলেণ, ছিল এই দেশের গরীব-দুঃখী-অসহায় মানুষের প্রতি অগাঢ় বিশ্বাস আর ভালোবাসা, সেই চিন্তা চেতনা নিয়েই বঙ্গঁবন্ধু আন্দোলনে নেতৃত্বদান করেছেন ও দেশ পরিচালনা করছেন। মোঃ মহিউদ্দিন বলে থাকেন সমুদ্রের মধ্যে ছোট তরী ভাসিয়ে যেমন সমুদ্রের বিশালতা মাপা যায়। তেমনী বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে একজন সেবক হিসাবে বঙ্গবন্ধুর সবটুকু উপলদ্ধি করা যায় না।

তবে আমি সব সময় আমার জীবন ধারায় বঙ্গঁবন্ধুর দিক্ষায় নিজেকে পরিচালিত করতে চেষ্টা করি। জানিনা আমি সেইভাবে নিজেকে পরিচালিত করতে পারছি কিনা।

তবে সকল শ্রেনীর মানুষ মোঃ মহিউদ্দিনের কাছে ছুঁটে যান। তিনি হৃদয় দিয়ে তাদের বরণ করতে চেষ্টা করেন। সকলে খুঁজে মোঃ মহিউদ্দিনের মাঝে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ কালের মোঃ মহিউদ্দিনের জাগ্রত চেতনাকে । জনতার ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়া বঙ্গবন্ধু ব্যতিত সাধ্য নয় কারো। তবে যারা মোঃ মহিউদ্দিনের কাছে আসেন, মোঃ মহিউদ্দিনের হৃদয় জুড়ানো  মুখের হাসিটুকু হউক ভালোবাসার কিঞ্চিত প্রতিদান।

লেখকঃ বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন আহাম্মেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক, মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed.