The news is by your side.

ওয়ান এলিভেনের সমর্থক আর নৌকার বিরুদ্ধচারী, চরিত্রগত পার্থক্য নেই

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

শরমিতা লায়লা প্রমিঃ ২০০২ সালে বিএনপি-জামাত জোট সরকারে জুলুম আন্যায় অত্যাচার দুর্নীতি দুঃশাসনের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজপথের আন্দোলনে জনগণকে সংপিক্ত করে উপ্তত করে তোলে, তার পরিপ্রেক্ষিতে খালেদা জিয়া পদত্যাগে বাধ্য হয়। কিন্তু ক্ষমতালিপ্সু কিছু বুদ্ধিজীবির পরামর্শে  খালেদা  জিয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতা হস্তান্তর না করে  বিতর্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার নামে সেনা শাসিত অগণতান্ত্রিক সরকারের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে।

এই সেনা শাসিত সরকার ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে শুরু করে রাজনৈতিক সংস্কার, যার  লক্ষ্য-উদ্দ্যেশ্য রাজনীতি থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে মাইনাস করা । অর্থাৎ আওয়ামী লীগ সভাপতি পদ থেকে শেখ হাসিনাকে বাদ দেওয়া, এই বাদ দিতে যা যা করার সেনা শাসিত সরকার তাই করবে বলে আওয়ামী লীগের শেখ হাসিনা বিরোধীদের আশ্বস্ত করেন। সেনা শাসিত সরকার কথা রেখে ছিলেন, শেখ হাসিনার নামে একাধিক সাজানো মামলা দায়ের করা, শেখ হাসিনাকে ফজরের নামাজরত অবস্থায় গ্রেফতার করে বন্ধি রাখা, যথাযথ চিকিৎসা সেবা প্রদান না করা  ইত্যাদি।

কথায় আছেনা কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে হয়, তেমনি শেখ হাসিনাকে মাইনাস করতে  আওয়ামী লীগের কিছু ক্ষমতালিপ্সু নেতাকে বেঁছে নেয় সেনা শাসিত সরকার, তারা সেনা শাসিত সরকারের ছত্রছায়ায় হম্পি দম্পি করে মাঠে নেমে পড়ে, টি.ভি চ্যানেলের টকসু-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করেই তারা থেমে থাকে নাই, তারা সংস্কার প্রস্তাব আনয়ন করতে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা করে।যেখানে আওয়ামী লীগের তৃণমূল পয্যায় শতভাগ নেতা কর্মী সমর্থক শেখ হাসিনাকে ভালোবাসে বিশ্বাস করে আস্থা রাখে সেখানে তাদের সব অপতৎপরতা নস্যাৎ হয়ে যায়, শেখ হাসিনা মুক্ত হন, নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেন।

বর্তমান সময় দেখা যায় আওয়ামী লীগের কিছু ক্ষমতা লিপ্সু মহল এর ছত্রছায়ায় এক শ্রেণির নেতা কর্মী শেখ হাসিনা তথা আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত অমান্য করার মতো দুঃসাহস দেখাচ্ছেন, স্থানীয় পয্যায় বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি মুলক নির্বাচনে উপজেলা, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, মেয়র পদে শেখ হাসিনা মনোনীত আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নৌকা মার্কার বিপরীতে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে ভিন্ন মার্কা নিয়ে নৌকা মার্কার বিরুদ্ধে নির্বাচন করে এবং বিদ্রোহী ও তাদের সমর্থকরা নৌকাকে পরাজিত করতে আটঘাট বেঁধে নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়ে, বলা চলে তাদের এই দুঃসাহস আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সরাসরি চ্যালেন্স  বলা যায়, যা ওয়ান এলিভেনের সময় সংস্কার পন্থীরা দেখিয়েছিল। যাতে বুজা যায় শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত অমান্যকারিরা আওয়ামী লীগের মধ্যে সক্রিয় আছে বা সংগঠিত হচ্ছে।

নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এই  বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার কথা কেদ্রিয় পয্যায় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বহুবার বলেছেন কিন্তু তেমন কার্যকর করা হয় নাই। বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী তাদের অনুসারীদের সংখ্যা বহুগুণে বেড়ে যায়, এই অবস্থায় চলতে থাকলে একসময় দেখা যাবে দলীয় চেন অব কমান্ড বলে কিছুই থাকবে না, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কঠিন সমস্যায় পড়তে হবে শেখ হাসিনাকে।

তাই বিদ্রোহী তাদের সমর্থকদের আওয়ামী লীগ থেকে সরাসরি বহিস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং কিছু বিদ্রোহীকে কারন দর্শানো নোটিশও দেওয়া হয়।  আপাতত দৃষ্টিতে যেমন গর্জন তেমন বর্ষণ দেখা যাচ্ছে না বরং অনেক এলাকায় প্রভাবশালী মন্ত্রী – এম.পিরা তাদের পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন না করে নৌকার পক্ষে নির্বাচন করায় এই সব এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা কর্মী সমর্থকদের নানাভাবে হয়রানী করছে এমন কি নতুন গঠিত কমিটি থেকে ছেঁটে বাদ দেওয়া হচ্ছে, এই সব মন্ত্রি -এম পিরা আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হয়েও নৌকা মার্কার পক্ষের লোকদের হয়রানী করার মতো দুঃসাহস পায় কোত্থেকে তাদের ইন্দনদাতা কারা? তবে কি ওয়ান এলিভেনের খলনায়করা আবারো শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সংগঠিত হচ্ছে। সেনা ছত্রছায়ায় সংস্কারবাদিরা ব্যর্থ হলেও এখন কি বিদ্রোহীরা ব্যর্থ হবে? অপরাধীদের ছাড় দেওয়া মানে আরেকটি অপরাধের সুযোগ করে দেওয়া, তাই আওয়ামী লীগের সকল তৃণমূল নেতা কর্মী সমর্থকরা মনে করেন সাপের লেজায় পাড়া দেওয়া হয়েছে, এখন মাথা উপড়ে ফেলতে হবে নচেৎ সাপ সুযোগ  পেলে ছোবল মারবে। তাই বলবো আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড – ইউনিয়ন – পৌর- উপজেলা- জেলা ও কেন্দ্রীয় পয্যায় কমিটি গঠন করার সময় যাতে বিদ্রোহীদের কোন প্রভাব না থাকে এবং বিদ্রোহীরা নতুন কমিটিতে আসতে না পারে সেই বিষয় সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তমতে নির্দেশনা প্রদান করতে হবে, তবেই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী দমন সম্ভব, এবং নির্বাচনে ভাল ফলাফলও সম্ভব। নচেত যাহা বায়ান্ন তাহা  তেপ্পান্ন, যেমন গুড় তেমন মিঠা, নচেৎ বিদ্রোহীদের প্রতিহিংসার আগুনে জ্বলে আওয়ামী লীগকে চরম মুল্য দিতে হবে।। বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন আহাম্মেদ, সম্পাদক, চেতনায় একাত্তর

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.