The news is by your side.

ড. কালাম এক্সিলেন্স পুরষ্কার ২০১৯-এ ভুষিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাঃ উৎসর্গ দেশবাসীকে

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

ডেস্ক নিউজঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ড. কালাম স্মৃতি ইন্টারন্যাশনাল এক্সেলেন্স এওয়ার্ডস-২০১৯’ গ্রহণ করেই তা দেশবাসীর উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন।সোমবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে এক অনুষ্ঠানে ড. কালাম স্মৃতি আন্তর্জাতিক এডভাইজরি কমিটির পক্ষ থেকে ড. কালাম স্মৃতি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান উপদেষ্টা টি পি শ্রীনিবাসন ও সংস্থাটির চেয়ারপারসন দীনা দাস শেখ হাসিনার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন।

প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার গ্রহণের সময় দেশের জনগণের প্রতি কর্তব্য পালনে তাঁর দায়বদ্ধতার প্রতি প্রশংসার নিদর্শন হিসেবে এই পুরস্কার গ্রহণ করছেন বলে উল্লেখ করেন।পারস্পরিক আস্থা, প্রত্যয় ও শুভকামনার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক গত এক দশকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুরষ্কারটি গ্রহণ করার পর দেওয়া বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। 

ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ড. এ পি জে আব্দুল কালামের স্মৃতি স্মরণে ড. কালাম স্মৃতি ইন্টারন্যাশনাল নামের সংগঠন ২০১৫ সালে এই পুরস্কার প্রবর্তন করে।এর আগে মালদ্বীপ, ঘানা ও মরিশাসের রাষ্ট্রপতি এই পুরস্কার পেয়েছেন।বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে ঐতিহাসিক সুসম্পর্ক স্থাপন, দেশের জনকল্যাণে নিজেকে নিবেদিত করা, বিশেষত নারী ও শিশুদের এক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে এ বছর পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় জানিয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “পারস্পরিক আস্থা, প্রত্যয় ও শুভ কামনার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক গত এক দশকে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আমরা লক্ষ্য করেছি দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিভিন্ন প্রচলিত ও অপ্রচলিত ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব অগ্রগতিও সাধিত হয়েছে। আমি মনে করি বিশ্ববাসীর কাছে এটাও একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতেও আমরা সক্ষম হয়েছি।তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি প্রতিবেশী দেশের সাথে সমস্যা থাকবেই। কিন্তু প্রতিবেশী দেশের সাথে সর্বক্ষেত্রে একটা সহযোগিতামূলক মনোভাব থাকলে সে সমস্ত দেশে উন্নয়ন করা অনেক সহজ হয়।“সমস্যা দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার পাশাপাশি সেই সমস্ত বিষয়ে আমরা একসাথে কাজ করতে পারি, কারণ আমাদের সব সময় চিন্তা করতে হবে জনগণের কথা। শুধু আমাদের দেশের জনগণ না, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের জনগণ যাতে সুফলটা পেতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই কিন্তু আমরা আমাদের পদক্ষেপ নিই।”

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।দেশের উন্নয়নে নেওয়া সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে তিনি বলেন, “বাংলাদেশকে ঘিরে একটা সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা আমরা হাতে নিয়েছি, যেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম একটা সুন্দর জীবন পেতে পারে। সেভাবে আমরা আমাদের কাজগুলো করে যাচ্ছি। আমাদের উন্নতির ধারাটা যেন অব্যাহত থাকে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: