The news is by your side.

নেত্রীর সিদ্ধান্ত, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের পদ থাকবে না, শুরু সাধারন সদস্য থাকবে বলেন মির্জা আজম,এম.পি

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

ডেস্ক নিউজঃ গত ২৩শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার প্রধান অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এম পি, ও যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ডাঃ দিপু মনি বর্ধিত সভায় উপস্থিত থাকেননি, এমনকি স্বাস্থ্যগত কারনে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ মহিউদ্দিন, সিনিয়র সহ সভাপতি আধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি এম.পি এবং ২য় সিনিয়র সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিছ উজ্জামান আনিছ সভায় উপস্থিত ছিলেন না, একমাত্র সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ লুৎফর রহমান এর উদ্যোগী ভুমিকায় সভাটি সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়। তবে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক অ্যাড. সোহানা তাহমিনা, কামরুল হাসান বাবুল, অ্যাড. আবুল কাসেম এবং একমাত্র সাংগঠনিক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন আহাম্মেদকে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয় নাই। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ঢাকা বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এম পি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মৃণাল কান্তি দাস এম পি, উপস্থিত থেকে দিক নির্দেশনা প্রদান করেছেন তাদের সহায়তা করেছেন জেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ মোঃ লুৎফর রহমান।

জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী এর সভাপতিত্বে সভা শুরু হয়, তবে তারাহুরার মাঝে বিগত সভার কার্যবিবরণী পাঠ ও অনুমোদন করা ছাড়াই সভার কাজ শুরু হয়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ঢাকা বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এম পি, ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মৃণাল কান্তি দাস এম পি, উপজেলা পর্যায় থেকে অভিযোগ শুনেন এবং এর সমাধান দেন। একপর্যায় গজারিয়া উপজেলা নির্বাচনে এম পি মহোদয়ের অসহযোগিতার বিষয় বক্তব্য দিলে এম পি মহোদয় তাহা নাকচ করে দেন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নন গজারিয়ার রেসালত আহাম্মেদ তোতা মিয়া আমিনুল ইসলামের ব্যাক্তিগত বিষয় আক্রমনাক্তক বক্তব্য দিলে বাহিরে হট্টগোল হয়, তখন মির্জা আজম তাকে ব্যক্তিগত আক্রমনাক্তক বক্তব্য দিতে বারন করেন।নিয়মবহির্ভূতভাবে এক পক্ষের অনেক ক্যাডার সভায় থাকেন ও চ্রিহিত সন্ত্রাসী বাহিরে অবস্থান নেয়।তাদের বাহিরে যেতে ধমকের সাথে মির্জা আজম নির্দেশ দিলেও অনেকে নির্দেশ অমান্য করে বসে থাকে।

সভার এক পর্যায় জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার কাজি ওয়াহিদ বলেন টঙ্গিবাড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিয়েছে আমার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছে টঙ্গিবাড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জগলুল হাওলাদার ভুতু, নেত্রী তাকে সাধারন ক্ষমা করে সাধারন সদস্য রেখেছেন, তবে স্বপদে থাকতে পারবে না। তিনি কিভাবে সভাপতি পদে বহাল আছেন। এই বিষয় মির্জা আযম বলেন নেত্রী দলের স্বার্থে মনোনয়ন দিয়েছেন যারা নেত্রীর নির্দেশ অমান্য করেছে তারা কিভাবে স্ব পদে বহাল আছে, এই পদ শুন্য ঘোষণা করা হল, ১ম সহ সভাপতি দায়িত্ব পালন করবে, তিনি না থাকলে তার পরবর্তীজন ধারাবাহিকভাবে দায়িত্ব পালন করবে।এই বিষয় জগলুল হালদার ভুতু বিভিন্ন কারন দেখালে মির্জা আজম বলেন একমাত্র নেত্রীই পদ ফিরে দিতে পারেন। মিরকাদিম পৌরসভা বিগত মেয়র নির্বাচনে বর্তমান মেয়রের মনোনয়ন দেওয়া নিয়ে তার বিরুদ্ধে জেলা আওয়ামী লিগের মানব সম্পদ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মনসুর আহাম্মেদ কালাম অভিযোগ করলে মির্জা আজম তাকে বলেন নেত্রী বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টের উপর ভিক্তি করে মনোনয়ন নেন দলীয় স্বার্থে, আমাদের নেত্রীর সিদ্ধান্তের বাহিরে যাওয়ার অবকাশ নাই, আপনি কার নির্বাচন করেছেন? তখন মনসুর আহাম্মেদ কালাম বলেন আমি নিজে বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলাম, আপনি পাশ করেছেন? না আমি পাশ করি নাই, দেখেন নেত্রী যাকে মনোনয়ন দিয়েছে সেই পাশ করেছে, নেত্রি ঠিক কাজ করেছেন, আপনি অপরাধ করে নেত্রীর মনোনয়ন দেওয়া নিয়ে অভিযোগ করছেন, কথা বলছে,বসেন, বসেন।

মির্জা আজম বলেন ইউনিয়ন, উপজেলা সম্মেলনে স্থানীয় এম পিদের আমন্ত্রন জানানো উচিত, আপনাদের নৈতিক দায়িত্ব, তিনি আরও বলেন দলীয় স্বার্থে এখানে আপনাদের এনে কষ্ট দিলাম, আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, এরপর জেলার বর্ধিত সভা নিজ নিজ জেলায়ই অনুষ্ঠিত হবে।তিনি শ্রীনগর উপজেলা আওয়ামী লিগের কোলা ও ভাগ্যকুন ইউনিয়ন কমিটি বাতিল করে, ওয়ার্ড পর্যায় থেকে নিজ নিজ এলাকায় সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.