The news is by your side.

প্রতিবন্ধি মোঃশিফকুল(সফি)৮বছর যাবত কাউন্সিলারদের কাছে ধর্না দিয়েও ভাতার কার্ড পাচ্ছে না

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

চেতনায় ডেস্কঃ মিরকাদিম পৌরসভার নুরপুর গ্রামের নানা মরহুম হাইকোর্ট ভুইয়ার বাড়িতে জম্ম নেয় দৈহিক প্রতিবন্ধী (মেরুদণ্ড বাঁকা এবং কুঁজো) শিফকুল ওরফে সফি, সফির শিশুকালে বাবা মারা যায়, অতি দরিদ্র পরিবারের সন্তান সফি বড় ভাইয়ের ছায়ায় আশ্রয় নিয়ে বিকলাঙ্গ অবস্থায় বড় হয়, বড় ভাই বিয়ে করায় সফিকে, এখন সফির দুই সন্তান ছেলে-মেয়ে-স্ত্রী নিয়ে ৪ সদস্যের পরিবার। বড় ভাইয়ের উৎসাহে প্রথমে কম্পিউটার গেমস এর দোকানে এবং পরে মোবাইল ও কম্পিউটার মেরামতের দোকানে কাজ নেয়, মোবাইল, কম্পিউটার মেরামতের কাজ কিছুটা শিখে নেয়।বড় ভাইয়ের প্রেরণায় নিয়ে মোবাইল, কম্পিউটার মেরামতের দোকান ভাড়া নিয়ে চালায়, যা আয় রোজগার হতো তাই দিয়ে কোন রকম আধবেলা খেয়ে না খেয়ে জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যেত।

প্রতিবন্ধি মোঃশিফকুল(সফি)৮বছর যাবত কাউন্সিলারদের কাছে ধর্না দিয়েও ভাতার কার্ড পাচ্ছে না

বর্তমান ৩৫ বছর বয়সে এখন আর তেমন সোজা হয়ে হাটা চলা করতে পারে না, বসার মধ্যেই কাজ করতে হয়। দীর্ঘ ৮ বছর যাবত স্থানীয় কাউন্সিলার হাসিনা পারভিন( সাবেক) নুরজাহান শিল্পী বর্তমান কাউন্সিলার এর কাছে বহুবার অনুনয় বিনয় করেছেন একটা প্রতিবন্ধী কার্ড পাওয়ার জন্যে উভয় কাউন্সিলারই সফির ছবি, নাম ঠিকানা নিয়েছে আশ্বাস দিয়েছে কিন্তু কপালে আর প্রতিবন্ধি কার্ড জুটে নাই।

বিশ্ব মানবতার নেত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এই সকল অসহায় মানুষদের দুঃখ দুর্দশার কথা ভেবে প্রতিবন্ধি, বয়স্ক, বিধবা, শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয়ভাবে ভাতা প্রদান করে থাকেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি এক শ্রেণির জনপ্রতিনিধি সত্যিকারের লোকদের মাঝে এই সকল কার্ড বিতরন না করে, আত্মীয় স্বজন ও অর্থের বিনিময়ে যারা এই সকল কার্ড পাওয়ার যোগ্য না তাদের মাঝে কার্ড বিতরন করে থাকে।

সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশও আজ ভয়াবহ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে এবং মারাও যাচ্ছে। সরকার দেশের মানুষকে বাঁচাতে লক ডাউন সহ বিভিন্নভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্মহীন মানুষদের বাঁচিয়ে রাখতে ভি.জি.এফ কার্ডের মাধ্যমে বিনা মুল্যে খাদ্য-সামগ্রী বিতরন ও রেশন কার্ড সহ নানাভাবে সাহায্যের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের আর্থিক প্রমোদনা প্রদান করছে।

কিন্তু এই প্রতিবন্ধি মোঃশিফকুল,সফিরা যেমন ভাতা কার্ড থেকে বঞ্চিত হয়েছে তেমন তারা রেশন কার্ড থেকেও বঞ্চিত আছেন, তারা জনপ্রতিনিধিদের নেক নজরে আসতে পারে নাই।

মননীয় প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনার মহৎ উদ্দ্যেশ্যকে যারা নস্যাত করছে তাদের চ্রিহিত করা এখন আমাদের নৈতিক দায়িত্ব, আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ স্থানিয় প্রশাসন ও সাংবাদিক ভাইদের কাছে অনুরোধ করব, এই সকল ভাতা ও রেশন কার্ডধারিদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হোক প্রয়োজনে তদন্ত্রের মাধ্যমে প্রকৃত নামের তালিকা তৈরি করে ভুয়াদের বাদ দেওয়া হোক এবং দোষী জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক, তাহলেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মহৎ উদ্যোগ সার্থক হবে, দুঃখ-দুর্দশাগ্রস্থ অসহায় মানুষ উপকৃত হবে। লেখকঃ সম্পাদক, চেতনায় একাত্তর।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed.