The news is by your side.

বহিষ্কৃতদের নিয়ে বিব্রত মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

শামিম হোসেনঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত অমান্য করে যারা ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তারা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যে কোন স্তরের কমিটির কোন পদে থাকতে পারবেন না বা পদের যোগ্যতা হারিয়েছেন, এক কোথায় বলা যায় নিজ পদ থেকে বহিস্কার হয়েছেন।এই কথা তাদের জানানোর পরও তারা নিজ নিজ পদ ধরে রেখে কাজ করে যাচ্ছেন,যাহা একান্তই বেআইনি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তকে অবজ্ঞা করার সামিল।

বিষয়টি নিয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ লুৎফর রহমানকে সাংগঠনিক কাজ করতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রে বিব্রত অবস্থায় পরতে হয়, বহিষ্কৃত পদ ধরে রেখে যারা সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন বা স্বাক্ষর করছে, সবই বেআইনি, গুরুত্বহী্ন, নৈতিকবোধ থেকেই তাদের বিরত থাকা উচিত বরং তারা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায় পদ ফিরে পেতে আপিল করতে পারেন।যেহেতু তারা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সাধারন ক্ষমায় শুধুমাত্র প্রাথমিক সদস্য পদ ফিরে পাবেন, তাই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তাদের উপর থেকে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে না নেওয়া পর্যন্ত তারা দলীয় কোন পদেই আসতে পারবেন না।

এখানে উল্লেখ্য যে গত ১লা মার্চ ২০১৭ তারিখের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি সাক্ষরিত পত্রে জেলা, মহানগর, উপজেলা, পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি/ সাধারন সম্পাদকদের নিকট যে দিক নির্দেশনামূলক পত্র প্রেরণ করেন, পত্রের তৃতীয় কলামে code এছাড়াও দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে যারা ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছিলেন তাদেরকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনা এমপি সাধারন ক্ষমা করার কারনে প্রাথমিক সদস্য পদ ফিরে পাবেন। স্বপদে বহাল থাকতে পারবেন না।uncode তাই বলা যেতেই পারে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সিদ্ধান্ত অমান্য করে আওয়ামী লীগের পদ ধরে রাখার কোন যৌক্তিকতা নেই, তাদের সসম্মানে পদ ছেড়ে চলে যাওয়াই শ্রেয় বলে অনেকে মনে করেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.