The news is by your side.

মিরকাদিমে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন-মেয়রের নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল।।

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

শরমিতা লায়লা প্রমিঃ অনাচার, অত্যাচার হানাহানি, দূর করতে এই ভুবনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় শ্রীকৃষ্ণের আগমন ঘটে, পৃথিবীতে শ্রী কৃষ্ণের আগমনের দিনটিকে বিশেষ মর্যাদায় পালন করে আসছে হিন্দু ধর্ম্যালম্বি লোকজন।

  • কৃষ্ণের জন্মকাহিনি, জীবন নিয়ে উত্সাহের অবকাশ নেই। হিন্দু পুরাণের সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্র কৃষ্ণ।
  • মহাভারত, ভাগবত গীতা, বৈষ্ণব পদাবলী জুড়ে যার বিচরণ।
  • সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন হিন্দু দেবতার জন্মদিন পালনের তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই।

জন্মাষ্টমী পুজোর রীতি শুরু হয় সূর্য ডোবার পর। ভজন, পুজো, মধ্য রাতে উপবাস ভাঙার পর পরদিন পালিত হয় নন্দ উত্সব। এই দিন গোপালকে ৫৬ পদে ভোগ দেওয়ার নিয়ম। কৃষ্ণের প্রিয় মাখন, মিছরির সঙ্গে ফল, নানা রকম মেওয়া, নিমকি দেওয়া হয়। ভাদ্র মাসে জন্ম হওয়ার কারণে পাকা তাল কৃষ্ণের প্রিয়। জন্মাষ্টমীতে তাই তালের বড়া, তাল ক্ষীর, তালের লুচির মতো নানাবিধ সুস্বাদু খাবারে সাজিয়ে দেওয়া হয় থালা। এ ছাড়াও মঠরি, রাবড়ি, মোহনভোগ, ক্ষীর, জিলিপি মতো নানা রকম মিষ্টি, শাক, দই, খিচুড়ি, দুধ, কাজু, মোরব্বা সব কিছু দিয়ে তৈরি হয় ছাপ্পান্ন ভোগ। 

মিরকাদিম পৌর এলাকায় বসবাসরত প্রায় পাঁচ হাজারের অধিক হিন্দু ধর্মের লোকজন চিরাচরিত নিয়মে শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী জাঁকজমকপুন্নভাবে উদযাপন করছে।পুজা, অর্চনা, প্রসাদ বিতরনের পরও নিজ নিজ বাড়িতে খিরসা, পায়েস, মিষ্টি, সন্দেস, মিষ্টান্ন প্রচুর তৈরি থাকে নিজেদের ও অতিথি আপ্যায়নে জন্য। দিনটি উদযাপন উপলক্ষে মিরকামিন পৌর মেয়র শহিদুল ইসলাম শাহিনের নেতৃত্বে এক বিশাল আনন্দ রেলি ডাক ডোল বাজিয়ে নেচে গেয়ে পৌর এলাকা প্রদক্ষিণ করে

হরি সভায় গিয়ে শেষ হয়। মিছিলের অগ্রভাগে ছিল হিদুধর্মালম্বি বিভিন্ন গোত্রের নেতৃস্থানীয় লোকজন তাদের মধ্যে অন্যতম প্রশান্ত কুমার তালুকদার, গোপাল চন্দ্র সাহা, অনন্ত ঘোষ, নকুল পাল, চিত্র বাবু সহ প্রমুখ ব্যাক্তিবর্গ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: