The news is by your side.

নষ্টামিদের নষ্টা রাজনীতি।। শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযান

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

শরমিতা লায়লা প্রমিঃ স্বাধীনতা অর্জনে যারা স্বাধীনতার বিরোধী ছিল, ছিল যুদ্ধাপরাধী তারা আমাদেরই সমাজে বসবাস করে,বঙ্গবন্ধুর সাধারন ক্ষমার সুযোগ নিয়ে সমাজের প্রতিক্ষেত্রে অবস্থান নিয়ে নেয় ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী, একাত্তরের স্বাধীনতা বিরোধী, ঘাতকদের এবং সাইনবোর্ড স্বরূপ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কিছু ক্ষমতালিপ্সু লোকদের নিয়ে জিয়া সেনা পোশাক গায়ে চাপিয়ে, সামরিক বাহিনির ক্ষমতা ব্যবহার করে যে রাজনৈতিক দল গঠন করেন এবং সেনা প্রধান, সরকার প্রধান হয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বাধীনতা বিরোধী,যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রাজনীতি এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশীদার করে নেন, সেই থেকেই শুরু হয় নষ্ট রাজনীতি তাই সঙ্গত কারনেই জিয়াকে বলা যায় নষ্টা রাজনীতির জনক।

জিয়াকে মাটি চাপা নিয়ে ক্ষমতা নিলেন এরশাদ, তিনি পচা-গলা, সুগন্ধি-দুর্গন্ধী, কাউকে বাদ না দিয়ে সবাইকে নিয়ে সামরিক বাহিনীর ছত্রছায়ায় রাজনৈতিক দল গঠন করে শুরু করে দিলেন স্বশাসিত সরকার, জিয়ার রাজনীতি যদি হয় পঞ্চ ব্যাঞ্জন এরশাদেরটা হল হারাধনের সাত রতন, আর খালেদা ক্ষমতায় এসে রাজনীতির বারটার ঘণ্টা বাজিয়ে দিলেন, জগা খিচুরির করে ফেললেন রাজনীতিকে নষ্টা রাজনীতি হয়ে গেল বেশ্যার রাজনীতি অর্থাৎ রাজনীতিকে বাণিজ্যিক করন করা হল, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি আর পেশীশক্তি হয়ে গেল রাজনীতির মুল সংজ্ঞা।একবার ক্ষমতায় এসে শেখ হাসিনা চেষ্টা করেছিল রাজনিতিকে পেশা মুক্ত করতে,তাই তাকে সরিয়ে আবার খালেদাকে ক্ষমতায় বসানো হল। এবার খালেদা তার জগা খিচরি মার্কা রাজনীতিকে প্রতিষ্ঠানিক রুপ দিলেন, সরকার, নিজ দল, সন্তান, স্বজনরা একাকার হয়ে গেল দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতির মধ্যদিয়ে, খালেদা যেমল তার চলার পথ নির্বিঘ্ন করতে সেখ হাসিনাকে হত্যা করে আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিল তেমনি নিজেদের ক্ষমতাকে স্থায়ী করতে সেভ গ্রুপের জম্ম দেয়, সেই সেভ গ্রুপভুক্ত হয় স্বাধীনতা বিরোধী মৌলবাদ শক্তি আর জঙ্গি বাহিনী। তাই বলবো নষ্টা রাজনীতির স্রষ্টা কারা তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

শেখ হাসিনা এই নষ্টা রাজনীতি থেকে দেশ ও জনগণকে মুক্ত করতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে পরিচালনায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন কিন্তু যখন দেখা যায় ড.কামাল হোসেন, কাদের ছিদ্দিকির মতো অসংখ্য রাজনীতিবিদরা আর মুক্তিযুদ্ধের বুলি আওড়ানো সুশীলনামধারী সুধীজনরা জামাতি- বি এন পির নষ্টাদের সাথে ঐক্য গড়ে নষ্টা রাজনীতির সাথে জড়িয়ে যায় তখন আমরা আশাহত হই, আবার শেখ হাসিনাকে নতুন করে ভাবতে হয়, এই সুযোগ নিয়ে নিজ দলের কেহ কেহ নষ্টাদের নষ্টামি কথায় পা দেয়, হারিয়ে ফেলে নিজের চলার পথ। সঙ্গত কারনেই শেখ হাসিনা এবার রাজনিতিকে নষ্টামিমুক্ত করতে নিজ দল থেকে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন।তিনি জানের এই কাজ অনেক কঠিন, ভয়াবহ কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা যা বলেন তাই করেন অন্যায়ের কাছে মাথা নত করতে জানেন না। তাই আজ নষ্টারা জোট বদ্ধ হয়ে শেখ হাসিনার চলার পদে পদে বাঁধা সৃষ্টি করছে, আর রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলে নষ্টামিদের এই বাঁধাকে সমর্থন করছে নষ্টা রাজনীতির প্রবক্তারা।তবে এই ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের সৎ- আদর্শবান নেতাদের এগিয়ে আসতে হবে, শেখ হাসিনার নির্দেশনাবলী সততার সাথে বাস্তবায়ন করতে হবে।যারা নিজ দলে দন্ধ সংঘাত সৃষ্টি করছে,যারা দলে বিভক্তি এনে নিজের স্বার্থ রক্ষায় অপরাজনিতিতে লিপ্ত আছে, তাদের বিষয় শেখ হাসিনাকে অবহিত করতে হবে।আওয়ামী লীগে ডুকে পরা সুবিধাবাদী অসৎ রাজনীতিবিদ ও মাদক,সন্ত্রাস,চাদাবাজ,দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, বিশেষ করে যারা শেখ হাসিনার নির্দেশ অমান্য করে নৌকার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছে বা বিদ্রোহী প্রার্থীকে সমর্থন করে নৌকা/ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কাজ করেছে, তাদের তালিকা প্রস্তুত করে ব্যবস্থা নিতে হবে প্রয়োজনে এই অবাধ্যরা যাতে নতুন কমিটিতে জায়গা না পায় সেই বিষয় সতর্ক থাকতে হবে। সকল বিষয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে অবহিত করে ব্যবস্থাগ্রহনে আবেদন করতে হবে, আমরা সকলে যদি সততার সাথে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে কাজ করি তাহলেই শুদ্ধ অভিযান শুদ্ধতা পাবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: