The news is by your side.

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারন করলেন মোঃ আনিছ উজ্জামান

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

সম্পাদক, চেতনায় একাত্তরঃ মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদে বসে আছি, মন্ত্রী অপেক্ষায়, সন্ধ্যায় পেরিয়ে যাচ্চগে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আসবেন জেলা পরিষদে, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে মত বিনিময় করতে। অনেক আওয়ামী লীগ জেলা- উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে উপস্থিত আছেন জেলা আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আনিছ উজ্জামান। মন্ত্রীর অপেক্ষায় সবাই অপেক্ষামান, খবর এলো মন্ত্রি জনসভায় আছেন, আসতে এক ঘণ্টা দেরি হবে, উপস্থিত সবাই নিজেদের মধ্যে আলাপ চারিতায়রত।জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মহিউদ্দিন এর অফিসে অনেকগুলো ছবি টানানো আছে, ছবিগুলো বঙ্গবন্ধুর চীফ সিকিউরিটি অফিসার থাকাকালিন সময়ের, সবগুলো ছবিই বঙ্গবন্ধু ও মোঃ মহিউদ্দিন এর বিভিন্ন স্মৃতি বহন করে আছে। অনেকে ছবিগুলো দেখছেন আর বঙ্গবন্ধু এবং মোঃ মহিউদ্দিন এর স্মৃতি চারন করছেন। এমন সময় মোঃ মহিউদ্দিন এর সহদর আনিছ উজ্জামান বললেন, শুনুন বঙ্গবন্ধুর একটি স্মৃতিচারণ করছে, উপস্থিত সকলের দৃষ্টি তখন মোঃ আনিছ উজ্জামান এর প্রতি। মোঃ আনিছ উজ্জামান বলতে শুরু করলেন- ১৯৭১ সাল, বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চ রমনা রেসকোর্স ময়দানে ( বর্তমান সরোওয়ারদী উদ্দ্যান) যে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন সেই ভাষণের আলোকে আমরা যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহন করি, গোপনীয় ভাবে ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করি। প্রয়োজনে বড় দাদা মোঃ মহিউদ্দিন এর পরামর্শ নেই, অনেক বিষয় মহিউদ্দিন ভাই বলেন এই বিসয় বঙ্গবন্ধুর সাথে আলাপ করে নে। দাদাই আমাদের বঙ্গবন্ধুর সাথে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে দিতেন। আমি আর বাবুল তখন মুন্সীগঞ্জ জেলার (তৎকালীন মহকুমার) বিশেষ করে শহরে বঙ্গবন্ধুর দিক নির্দেশনা মতে আন্দোলন- সংগ্রামে নেতৃত্ব দিতাম। মহকুমা/ থান আওয়ামী লীগ, ছাত্র লীগ, যুব লীগ একই ব্যানারে সভা সমাবেশ করেছি। বঙ্গবন্ধুর সাথে পাকিস্তানী সামরিক জান্তা ইয়াহিয়া খানের আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ায় তখন আন্দোলন বিস্ফোরণ আকার ধারন করে।হঠাৎ খবর পেলাম পাকিস্তানীরা থানার মালখানা থেকে সব আর্মস সরিয়ে ঢাকা নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তখন আমরা সিদ্ধান্ত নেই আমরা থানা আক্রমন করে মালখানার সব আর্মস ছিনিয়ে নিব, এবং এই আর্মস দিয়েই তাদের সাথে যুদ্ধ করব।এই বিষয় আমি কয়েকজনকে নিয়ে ঢাকা চলে যাই মহিউদ্দিন ভাই এর পরামর্শ নেওয়ার জন্য। মহিউদ্দিন ভাইয়ের সাথে এই বিষয় আলাপ করলে তিনি পরামর্শ দিলেন বঙ্গবন্ধুর সাথে কথা বলার। পরদিন বঙ্গবন্ধুর সাথে কথা বলতে ধানমণ্ডি বঙ্গবন্ধুর ৩২ নং বাসায় যাই, অফিসে বসে বঙ্গবন্ধু কয়েকজনের সাথে গুরুপ্তপুন্ন আলোচনা করছে।কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর মহিউদ্দিন ভাই আমদের বললেন ভিতরে যা, নতুবা বঙ্গবন্ধু কথা শেষ করে চলে যেতে পারে।মহিউদ্দিন ভাইয়ের কথায় আমরা ভিতরে প্রবেশ করি, বঙ্গবন্ধু আমাকে দেখে উঠে আসলেন এবং বললেন কিরে আনিছ, খবর কি, তোকে ক্লান্ত দেখাচ্ছে, আমি তখন থানার মালখানা থেকে আর্মস লুটের কথা বলি, বঙ্গবন্ধু কিছুক্ষণ ভাবলেন এবং বললেন তোরা পারবি, আমি বললাম পারব, শুধু আপনার অনুমতির অপেক্ষায় আছি, বঙ্গবন্ধু আবার ভাবলেন এবং বললেন তবে সাবধানে করবি কোন লোক যেন ক্ষতি না হয়। তখন বঙ্গবন্ধু আমাকে বুকে নিলেন এবং পিঠ চাপড়িয়ে আদরের সূরে শুধু বললেন, যা—-> তখন আমরা বাহিয়ে এসে মহিউদ্দিন ভাইয়ের সাথে আলোচনা করে মুন্সীগঞ্জ ফিরে আসি। পরদিন বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় বড় বড় হরফে সংবাদ প্রাকাশ পায়, মুন্সীগঞ্জ থানার অস্ত্রাগার লুট 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: