The news is by your side.

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দমিবার পাত্র নন, ভাঙ্গবেন, মচকাবেন না

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

শরমিতা লায়লা প্রমিঃ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা, এমন একটি রাজনৈতিক চরিত্র যিনি কখনো নীতি আদর্শের কাছে মাথা নত করেননি, তার নীতি হল মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারন করে এগিয়ে যাওয়া, বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলা, অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করা, সত্যের প্রতি অবিচল আস্থা আর বিশ্বাস রাখা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই দেশের জনগনের ভাগ্যের পরিবর্তন সাধন করে উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে এসে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগকে সু-সংগঠিত করে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে এরশাদকে পদত্যাগে বাধ্য করেন, ১৯৯২সালে দেশ বিদেশের ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে খালেদা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসেন, শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী করে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে সরকার গঠন করে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার শুরু করেন। ২০০১ সালে জামাত- স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে আঁতাত করে আবার খালেদা সরকার গঠন করে, হাওয়া ভবনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয়ভাবে সান্ত্রাস দুর্নীতির মহা প্রলয় সৃষ্টি করে।দেশব্যাপী জঙ্গিবাদের আস্তানা গড়ে তুলে।শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করে বিভিন্নভাবে হত্যার চেষ্টা করে, ২০০৪ সালে শেখ হাসিনার জনসভায় চালানো গ্রেনেড হামলা অন্যতম, এই হালার ক্ষেত্রে তারেক জিয়া, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অন্যতম ভুমিকা পালন করে। এই ক্ষেত্রে জঙ্গিদের ব্যবহার করা হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করতে মিথ্যা মামলা, গৃহবন্ধি করা হয়।

এই সব অবিচার শেখ হাসিনা নিরবে নিবৃতে সহ্য করেন, ২০০৮সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনা বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেন। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করে ফাঁসীর রায় কার্যকর করেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের পথে বাংলাদেশ হাঁটতে শুরু করে, ২০১৪ সালে সরকার গঠন করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় বাস্তবায়ন করেন, জঙ্গিবাদ দমন করেন, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে পদ্মা সেতুর কাজ এগিয়ে নেন, বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়, শেখ হাসিনার সফলতায় বিশ্বের প্রভাবশালী দেশের নেতৃবৃন্দ শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসায় পঞ্চমুখ থাকে।

শেখ হাসিনার বাংলাদেশকে একটি শান্তির বাসভূমি হিসাবে গড়ে তূলতে দলের ওবখেত্রে, সর্বক্ষেত্রে অনিয়িমের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান শুরু করে। এই শুদ্ধি অভিযান ততদিনই চলবে যতদিন পর্যন্ত বাংলাদেশ একটি শান্তি-সম্প্রীতির দেশ হিসাবে গড়ে না উঠবে, সমাজ থেকে অনিয়ম, দুর্নীতি, অবিচার দূর না হবে, শুধু ক্যাসেনু আর চাঁদাবাজদের তিনি ধরবেন না, শেখ হাসিনা দেশের সর্ব ক্ষেত্রে রন্দ্রে রন্দ্রে জম্ম নেওয়া এই সকল অনিয়ম দূর করতে যা যা করার তাই করবেন, এই ক্ষেত্রে প্রভাবশালী, নেতা নেত্রী, মন্ত্রি, এম পি, দুর সম্পর্কীয় আত্মীয় স্বজন কেহ পার পাবে না।নিজ দল থেকে শুরু করা এই সুদ্ধি অভিযান কোথায় গিয়ে শেষ হবে, তা বলা মস্কিল।

নিজ দল আওয়ামী লীগের কেহ অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তিনি পিছু পা হবেন না বা ছাড় দিবেন না, বিশেষ করে যারা অবাধ্য, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিগত নির্বাচনসমুহে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছে, বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে, অন্যদল থেকে টেনে এনে যারা হাইব্রিডদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে রাতারাতি শত শত কোটি কামাই করেছে তারাও পার পাবেনা, তাদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনা হচ্ছে।নিজ ঘরে সুদ্ধি অভিযানে শুদ্ধতা আনার পর সকল বিষয় শক্ত হাতে শুদ্ধতা আনা হবে, সেই লক্ষ্য নিয়েই শেখ হাসিনা এগিয়ে চলছে, শুধু প্রয়োজন আমাদের সমাজের ভাল মানুষগুলোকে শেখ হাসিনাকে সমর্থন করা, তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি বি.এন.পি- জামাতের মতো কিছু রাজনৈতিক দলের নেতারা শেখ হাসিনার এই সুদ্ধি অভিযানকে নস্যাৎ করতে নানাভাবে মিথ্যাচারে লিপ্ত আছে, তবে এই ক্ষেত্রে জনগণই জনস্বার্থে তাদের নির্মূলে পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে, কারন শেখ হাসিনার মতো দেশপ্রেমিক সাহসী প্রধানমন্ত্রী যুগে যুগে জম্ম নেয় না।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: